Tuesday, 18 August 2015

কি ডেনজারাস মেয়েরে বাবা, রাস্তায় ও মানুষকে চড় কষে দিতে পারে


আমি সম্পা। আমি ছোটো বেলা থেকেই একটু সহজ সরল ছিলাম। তেমন কারো সাথে মিশতে পারতাম না সহজে। স্কুলে যাওয়া-আসা আর বাড়িতে থাকার সময়ে আমার একমাত্র সঙ্গি ছিল আমার এক ক্লাস বড় মিনা আপু। আপুও তেমন খেলাধুলা করত না বলে আমার খেলাধুলা করার ঝোকটাও একটু কম ছিল।

আমার বয়স তখন বার-তের হবে। ক্লাস সিক্স এ পড়ি। সবে বাড়ন্ত

আমার মতো নিরবে কষ্ট সহ্য না করে প্রতিবাদ করুন


আমি মিতা। আমার বাবার চাকুরীর জন্য ছোটবেলা থেকেই এক জায়গাই বেশিদিন থাকা হয়ে ওঠেনি কখন। আমি যখন ক্লাস নাইনে তখন আমরা আমাদের দাদির বাড়িতে চলে আসি স্থায়ী ভাবে থাকার জন্য। আমাকে একটা ভাল স্কুলে ভর্তি করান হয়। নতুন স্কুল, নতুন পরিবেশ। নিজেকে এই নতুন পরিবেশের সাথে মানিয়ে

জিরো ফিগার কিংবা স্লিম ফিগার না হলে মেয়েটা সুন্দর না


আমি রোকশানা। আমার বার বারই মনে হয় যে, মেয়েদের সর্বনাশ করতে খুব নীরবে ভয়ানক এক মানসিক ভাইরাস ছড়িয়ে পরেছে আমাদের সমাজে। লক্ষ লক্ষ মেয়ে এই ভাইরাসের স্বীকার হয়ে রোজই কষ্ট পাচ্ছে। বাধ্য হচ্ছে নিজের স্বাভাবিক সৌন্দর্য বর্জন করে অন্য রকমভাবে তৈরী করতে। এই ভাইরাসের নাম জিরো ফিগার ।

মেয়েটা মোটা, তাই মেয়ের বিয়ে হয় না। মেয়েটা মোটা বলে তাকে মুটকি,

Tuesday, 14 July 2015

কিভাবে বলতে হয়, তখন আমি জানিনা


আমি তৌহিদা। বাংলাদেশের অন্যান্য মুসলিম পরিবারের মতই আমার বাবা মাও আমাকে খুব অল্প বয়স থেকে ধর্মীয় শিক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করেন। আমার পঞ্চম জন্মদিনের পর আব্বু আমাকে বাসায় এসে আরবি ও কোরআন শিখানোর জন্য একজন শিক্ষক রাখেন।  বাইরে থেকে দেখলে নিশ্চয়ই মনে হত খুবই পবিত্র কাজ চলছে, শান্তিময় পরিবেশ। মাসাল্লাহ কত সুন্দর ভাবে পবিত্র গ্রন্থের শিক্ষা চলছে।