আমি তখন অনেক ছোটো। হয়তো ক্লাস ২-৩ তে পড়ি। আজ থেকে প্রায় ১৫ বছর আগের কথা। আমার ভাই আর আমাকে একজন শিক্ষক বাসায় পড়াতে আসত। সে আমাদের হোম টিউটর ছিলেন তিনি। সে পরাতে আসলেই দরজা বন্ধ করে আমাদের পড়াতে বসাতেন। দরজা লাগানোর কারণ হিসাবে আম্মুকে বলতেন বাইরের আওয়াজে যেন আমাদের পড়ার মনোযোগ নষ্ট না হয় তাই দরজা বন্ধ করতো বদজাতটা। এরপর থেকে আম্মু কখনই দরজা লাগনো নিয়ে প্রশ্ন করেনি শিক্ষকে রুপি জানোয়ারকে। বরং আম্মু অনেক সময় নিজেই এসে বন্ধ করে গেছেন।
একদিন আমার ভাই বাসায় ছিল না। তাই ওই দিন বদ্ধ রুমটাতে শুধু আমি আর আমার জানোয়ার শিক্ষকটা ছিলেন। আমি বই খোলার সময় সে হাত দিয়ে বাঁধা দিলেন। বললেন, "আজ তোমাকে পরাবো না। চল তোমাকে আজ মজার মজার গল্প শোনায় আর সেগুলো করেও তোমাকে দেখাব।” পড়া বাদ দিয়ে গল্পে কথা বলাতেই আমি অনেক খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু জানোয়ারটা আমাকে অশ্লীল সব গল্প শোনাতে লাগলো। যার কোন কিছুই আমি বুঝতে পারছিলাম না। কারণ ওগুলো বোঝার মত বয়স তখনো আমার হয়নি।
সে হটাৎ আমার বুকে হাত দিয়ে বলল, “এগুলো আর কিছুদিনের মধ্যে আরো বড় হবে, অন্যান্য বড় মেয়েদের মত।” আমার খুব খারাপ লাগছিল ব্যাথা অনুভব করছিলাম বুকে। তখন চিৎকার করলে আম্মু দরজার ওপাস থেকে চিৎকার করে বলেছিল, “এই পড়ার সময় চিৎকার করছ কেন। তোমার স্যার পড়াচ্ছে পড়তে থাক।” আমি তখন আর কিছু বলতে পারিনি। কারণ আম্মু যে আমাকে কোন কথা না শুনেই আমাকে বকা দিবে। তাই নিরবে সহ্য করতে হচ্ছিল সব। নরপশুরূপি শিক্ষক তো এবার মাথায় উঠে গিয়েছিল। এবার নরপশুটি আমাকে বলছিল কিভাবে সেক্স করতে হয় ইত্যাদি ইত্যাদি। কোন কিছুই মাথায় ডুকছিল না। আমি নিরুপায় হয়ে স্যারকে বলেছিলাম, “স্যার, আমাকে ছাড়ের আমার খুব ব্যাথা লাগছে।”
কে কার কথা শুনে। স্যার আমাকে তুলে বিছানায় নিয়ে যেতে চাইলে আমি বলেছিলাম, “স্যার, আজতো আমার ভাইয়া নাই। তাই খেলা আজ না শিখি? এখন আমি খেলতে যায়?” স্যার তখন চোখ রাঙ্গিয়ে আমাকে ধমক বলেছিল, “আমি যা বলছি তাই কর, নাইলে কিন্তু তোমার আম্মুকে বলে দিব তুমি পড়াতে ফাঁকি দিচ্ছ।” আমি খুব ভয় পেতাম আম্মুকে। কারণ এই কথা বললে যে আম্মু আমাকে মারধর করবে।
তারপর সে আমাকে জোর করেই বিছানায় শুইয়ে আমার প্যান্টের ফিতা খুলে আমার গোপনাঙ্গে তার হাত ডুকিয়ে দিল। তারপর সে আমাকে বলল, “এভাবে সেক্স করতে হয়।” তারপর সে তার প্যান্ট খুলে যখন তার গোপনাঙ্গটা আমার গোপনাঙ্গে প্রবেশ করাতে গিয়েছিল আমি প্রচন্ড ব্যাথা অনুভব করি। স্যার তখন বলেছিলেন “একটু সময় দাও, আসতে আসতে ভাল লাগবে।”
আমার আর ভাল লাগসিলনা। আমি নরপশু স্যারকে থামতে বললেও সে থামেনি। আমি তখন বাধ্য হয়ে স্যারকে বলেছিলাম, “আমি কিন্তু চিৎকার করবো, সবাইকে বলে দিব।” স্যার ছেড়ে দেয় আমাকে। আমি তখন বুঝিনি যে, সে যা করেছে সেটা কি ভুল, অন্যায়। কাউকে বলতেও পারিনি। কারণ কেউ আমার কথা বিশ্বাস করবে না। এরপরে থেকে ঐ নরপশু আমাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে আমার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ নিয়ে বিচ্ছিরি সব কার্যকলাপ করেছে। আমি কাউকে কিছুই বলতে পারিনি।
পরে আর সহ্য করতে না পেরে ঐ স্যারের কাছে পড়বো না বলে কান্নকাটি শুরু করে দিয়েছিলাম। পরে ঐ স্যার আরও মাস খানেক পরাতে এসেছে আমার ভাইকে।
আজ পর্যন্ত ঐ নরপশুর চেহারা আমি ভুলিনি। এরপর থেকে আর কখন একা কোন শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়িনি। নিজের অজান্তেয় মনের মধ্যে একটা ভয় কাজ করতো। যখন প্রাইভেট পড়তে যেতাম সব সময় দোয়া করলাম, যেন সবাই পড়তে আসে। যদি কোন কারণে কোন শিক্ষক আমাকে একা থাকতে বলবা বা আমি আগে চলে যেতাম, মনের অজান্তেই ভয় কাজ করত যদি আবারও আমার সাথে এমন হয়? আমি কাকে বলব, কেউ যে আমার কথা বিশ্বাস করবে না।
অডিও ফাইল :

No comments:
Post a Comment